কাহালু পৌরসভা নির্বাচনে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে প্রার্থী অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম বাদশা

print news

এসএম সালমান হৃদয়, বগুড়া

Img

 

আসন্ন বগুড়ার কাহালু পৌরসভা নির্বাচনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ জহুরুল ইসলাম বাদশা। সৎ, যোগ্য ও আধুনিক পৌরসভা গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে তিনি ইতোমধ্যেই জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছেন। নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই তিনি ভোটারদের মনোযোগ কেড়েছেন তাঁর কর্মমুখী অঙ্গীকার, সহজ-সরল জীবনযাপন ও শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য।

অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম বাদশা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা ও শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে আসছেন। তিনি কাহালু সরকারি কলেজের সাবেক জি.এস, প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ রেডরোজ স্কুলের এবং বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বগুড়া জেলা শাখার সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি মনে করেন, একটি ন্যায়, ইনসাফভিত্তিক, কল্যাণমূলক সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মাণই টেকসই উন্নয়নের মূল পথ।

প্রচার-প্রচারণায় তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, সুযোগ পেলে কাহালু পৌরসভাকে আধুনিক ও নাগরিকবান্ধব করতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। তিনি বলেন, “নেতৃত্বে চাই সততা, তারুণ্য ও যোগ্যতার সমন্বয়।” তাঁর নির্বাচনী অঙ্গীকারে স্থান পেয়েছে – সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সুপেয় পানির নিশ্চয়তা, পৌর এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে সমান উন্নয়ন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির প্রসার, তরুণ সমাজকে কর্মমুখী প্রশিক্ষণ প্রদান এবং নারীদের উন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ।

স্থানীয় সাধারণ মানুষরা মনে করছেন, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে অন্য প্রার্থীদের থেকে আলাদা করেছে। অনেকেই মন্তব্য করছেন, অধ্যক্ষ বাদশা শুধু রাজনীতিক নন, তিনি সমাজের প্রতিটি স্তরে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সহায়তা থেকে শুরু করে শ্রমজীবী মানুষের অধিকারের প্রশ্নে তিনি বরাবরই সোচ্চার ছিলেন।

এদিকে কাহালু পৌর এলাকার ভোটারদের মধ্যে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের মধ্যে তিনি ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই লিখছেন, “আমাদের কাহালুর উন্নয়নে দরকার একজন সৎ, যোগ্য ও শিক্ষিত মানুষ। তাই আমরা অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম বাদশাকে চাই।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ছাড়াও প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, অতীত কর্মকাণ্ড ও জনপ্রিয়তা অনেক বড় ভূমিকা রাখে। সেই দিক থেকে জহুরুল ইসলাম বাদশার অবস্থান যথেষ্ট শক্তিশালী। কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে কাহালুর জনগণের সুখে-দুঃখে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন।

অধ্যক্ষ বাদশা প্রতিদিনই নির্বাচনী মাঠে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছেন। তিনি সাধারণ ভোটারদের কাছে গিয়ে নিজের পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করছেন এবং দোয়া ও সমর্থন প্রার্থনা করছেন। তাঁর ভাষ্য, “আমি প্রতিশ্রুতি নয়, কাজ করতে চাই। কাহালু পৌরসভাকে একটি দৃষ্টান্তমূলক আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জনগণের সেবা করাই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”

সব মিলিয়ে কাহালু পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভিড়ে অধ্যক্ষ জহুরুল ইসলাম বাদশার প্রার্থিতা ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশা—এই প্রার্থী যদি নির্বাচিত হন তবে কাহালু পৌরসভা পাবে সত্যিকারের উন্নয়ন, সুশাসন এবং সেবামুখী একটি পৌর প্রশাসন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *