
ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও-পাগলা) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এ বি সিদ্দিকুর রহমানের নির্বাচনী জনসভায় জনতার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তাঁর সমর্থনে আয়োজিত গণজমায়েত শেষ পর্যন্ত বিশাল সমাবেশ রূপ নেয়।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গফরগাঁও উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বতন্ত্র প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমান, তাঁর ভাতিজা ও সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা মুশফিকুর রহমান। তিনি বলেন,
“নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে তরুণদের যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। হাঁস মার্কায় ভোট দিয়ে এবি সিদ্দিকুর রহমানকে বিজয়ী করার জন্য গফরগাঁওবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই।”
উক্ত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এম আর খায়রুল, সঞ্চালনা করেন, কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাদেকুর রহমান।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবি সিদ্দিকুর রহমানের মেয়ে, ব্যারিস্টার রিফাত রহমান, শাকিলা রহমান, শামামা রহমান, গফরগাঁও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন, শহিদুর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।
বক্তব্যে মুশফিকুর রহমান বলেন,
“আমার বাবা মরহুম ফজলুর রহমান সুলতান ছিলেন গফরগাঁও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। আজ তাঁর সন্তান হিসেবে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে—এতে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। আপনারা আমাদের পাশে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। আমার চাচা এবি সিদ্দিকুর রহমান সবসময় আপনাদের পাশে ছিলেন।”
তিনি আরও বলেন,
“আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হাঁস প্রতীকে ভোট দিয়ে আপনারা প্রমাণ করবেন—জনগণ আমাদের বহিষ্কার করেনি।”
এবি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আমি যদি এমপি হতে পারি পাগলা একটি উপজেলা করে দেব, গফরগাঁওয়ে একটি টেক্সটাইল করে দিব যাতে করে পঞ্চাশহাজার লোকের কর্মসংস্থার ব্যবস্থা হয়, এছাড়া চাঁদাবাদ সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত গফরগাঁও গড়ে তুলব ।
এবি সিদ্দিকুর রহমানের তিন কন্যা তার বাবার পক্ষে হাঁস প্রতীকে ভোট চান এবং সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
এর আগে বিকেল তিনটা থেকেই গফরগাঁও ও পাগলা থানার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মিছিল নিয়ে হাজার হাজার মানুষ মিনি স্টেডিয়াম মাঠে জড়ো হতে থাকেন। জনতার ভিড়ে পুরো মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।