মোঃ মিঠু মিয়া, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলা জজ কোর্টে বাটোয়ারা মোকদ্দমা নং ১৪৭/৮৭-এর রায় ও ডিগ্রী কার্যকর নিয়ে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯১ সালের ৩০ এপ্রিল বাদীপক্ষ ৬৯ শতক জমির বাবদ চূড়ান্ত ডিগ্রী প্রাপ্ত হয়। তবে পরবর্তীতে বিবাদীপক্ষ ১০২/৯১ নং মোকদ্দমা দায়ের করলে বাদীপক্ষের কবলা খরিদ্দার ২৩-২৬ নং বিবাদীরা ২২ শতক জমি কর্তন করিয়া পৃথক ছাহাম পান।
এরপর ২০০৪ সালের ৬ জুন সংশোধিত ডিগ্রীতে বাদীপক্ষের পক্ষে মাত্র সাড়ে ৪৭ শতক জমি বাবদ ছাহাম বলবৎ থাকে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, সংশোধিত ডিগ্রী গোপন রেখে যোগসাজশের মাধ্যমে পুনরায় ৬৯ শতক জমির ভিত্তিতে ডিগ্রী ও ছাহাম তালিকা প্রস্তুত করে নতুনভাবে ডিগ্রী জারির চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে বিবাদীপক্ষ আদালতের সেরেস্তাদারকে অবগত করলে কথোপকথনের এক পর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের পিয়ন মোঃ রাসেল এবং জেলা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী সুমন মিয়াসহ কয়েকজন কোর্টকর্মচারী ক্ষিপ্ত হয়ে বিবাদীপক্ষের আইনজীবীকে হেনস্থা করার চেষ্টা করেন। ফলে পরিস্থিতি উত্তেজনাকর রূপ নেয়।
আইনজীবী মহল মনে করছেন, আদালতের ভেতরে এমন অশোভন আচরণ কেবল অগ্রহণযোগ্য নয়, বিচারপ্রার্থীদের জন্য ভীতিকরও বটে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।