
বহুল প্রতীক্ষিত একটি কৌশলগত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেনের মধ্যে খনিজ সম্পদ নিয়ে সহযোগিতা শুরু হয়েছে। বুধবার ওয়াশিংটনে উভয় দেশের প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যা ইউক্রেনের ভূ-গর্ভস্থ খনিজ সম্পদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রকে অগ্রাধিকারমূলক প্রবেশাধিকার দেবে এবং ইউক্রেন পুনর্গঠনে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এবং ইউক্রেনের ফার্স্ট ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া স্ভিরিদেনকো। চুক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একটি "স্বাধীন, সার্বভৌম ও সমৃদ্ধ ইউক্রেনের প্রতি অঙ্গীকার" হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পারস্পরিক বিনিয়োগ সহযোগিতা নিশ্চিত করার কথা বলে আসছিলেন। জানুয়ারিতে দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউক্রেনের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের এটি ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
চুক্তির মূল দিকগুলো:
ইউলিয়া স্ভিরিদেনকো এক্সে (পূর্বতন টুইটার) দেওয়া পোস্টে লেখেন, "এই চুক্তির মাধ্যমে ওয়াশিংটন শুধু সরাসরি আর্থিক সহায়তা নয়, বরং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহায়তার নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে।"
তবে, ওয়াশিংটন এখনো এই সামরিক সহায়তার অংশটি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
জার্মানির কিয়েল ইনস্টিটিউট জানায়, ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় সামরিক সহায়তাকারী দেশ।
চুক্তি স্বাক্ষরের আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন,
"কিয়েভকে দেওয়া সহায়তার বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পাওয়ার অধিকার রয়েছে।"
এই বক্তব্যের প্রতিফলন হিসেবেই এই খনিজ চুক্তিকে দেখা হচ্ছে।
দৈনিক নব জাগরণ/Daily Nobo Jagoron
Email : newsnobojagoron@gmail.com
Nobo Jagoron