নিজস্ব প্রতিবেদক

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের নাম পরিবর্তন ও মাদ্রাসার কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে ঘিরে গ্রামবাসীরা তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে।
গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেন, একটি কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে কালিকাপুর আদর্শ গ্রামের নাম পরিবর্তন করে উত্তর কালিকাপুর নামে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে নিজেদের পরিবারকে লাভবান করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। ১৯৮৬ সাল থেকে গোপনভাবে এসব কার্যক্রম চালিয়ে আসা হয়। এমনকি যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও নিজেদের পরিবার থেকে অযোগ্য ব্যক্তিদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেখানো হয়।
তারা আরও জানান, গ্রামের অসংখ্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মতামত উপেক্ষা করে মাত্র পাঁচটি পরিবার থেকে সভাপতি ও শিক্ষক নিয়োগ দেখিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা ভোগ করা হচ্ছে। মাদ্রাসার জন্য দানকৃত কবরস্থান ও আবাদি জমির কাগজপত্রও এ কুচক্রী মহল নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করেছে।
গ্রামবাসীর দাবি, কোনো পূর্ণাঙ্গ কমিটি ছাড়াই ভুয়া সভাপতির নাম ব্যবহার করে ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি করে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়া হচ্ছে। অথচ কোনো সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, সদস্য বা পরিচালকের নাম প্রকাশ করা হয়নি। এতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ঘাটতি রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে গ্রামবাসীরা প্রশ্ন তোলেন, যদি সত্যিই কমিটি থাকে তবে তার সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করা হোক। তারা এই বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
গ্রামবাসীরা বলেন, প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে যে অসঙ্গতি উঠে এসেছে তার ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে কালিকাপুর ইবতেদায়ী মাদ্রাসাকে প্রকৃত গ্রামের নামে, পূর্ণাঙ্গ কমিটি ও যোগ্য শিক্ষক মণ্ডলীর সমন্বয়ে পরিচালিত করা হোক। এটি কালিকাপুর গ্রামের সর্বস্তরের মানুষের প্রাণের দাবি।