এস এম সালমান হৃদয় বগুড়াঃ

৪ নং এরুলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি চক্র রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ দাবি করছে।
অভিযোগ রয়েছে, শহিদুল ইসলাম বাবু পূর্বেও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন ভাতা কার্ড, টিউবওয়েল ও ঢেউটিন দেওয়ার কথা বলে টাকা সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে তিনি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে পুনরায় অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন বলে এলাকাবাসীর দাবি।
এদিকে বগুড়া সদর উপজেলা যুব দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও এরুলিয়া ইউনিয়ন যুব দলের সাবেক আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম রাজা ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কিছু মানুষের এনআইডি কার্ড সংগ্রহ করেছিলেন বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
সরকারি সূত্র জানায়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণানুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড নিবন্ধন অনলাইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাজসেবা কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হবে। বগুড়া জেলার একটি ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড দিয়ে আগামী ১০ মার্চ এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এ বিষয়ে ৪ নং এরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান আতিক ইতোমধ্যে মাইকিং করে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড বা কোনো সরকারি সুবিধার নামে কেউ অর্থ দাবি করলে তা বিশ্বাস করবেন না এবং প্রয়োজনে প্রশাসনকে অবহিত করুন।”
এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিরু সেখ, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক এবং ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, দলীয় নাম ব্যবহার করে কেউ প্রতারণা করলে তার দায় দল নেবে না এবং প্রয়োজন হলে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে—গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে।