মানবাধিকার রক্ষায় অবদান রাখায় সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্যপদ পেলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম

print news

এস এম সালমান হৃদয়, বগুড়া ॥

img

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ মোঃ শহিদুল ইসলাম-কে আজীবন সদস্যপদে ভূষিত করেছে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন। দক্ষিণ এশিয়ার এই আঞ্চলিক মানবাধিকার সংস্থা তার সমাজসেবামূলক ভূমিকা, মানবাধিকার সচেতনতা সৃষ্টি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করে।

সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তার হাতে আজীবন সদস্যপদের সনদপত্র ও পরিচয়পত্র (পরিচয় নম্বর: ২৪০৮৮) তুলে দেওয়া হয়।
আজীবন সদস্যপদের শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহণ করেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী স্যারের নিকট থেকে।

পরিচয়পত্রে উল্লেখ রয়েছে— তিনি সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির আজীবন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

সনদপত্রে বলা হয়েছে,
“মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকার, সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ মোঃ শহিদুল ইসলাম-কে আজীবন সদস্যপদ প্রদান করা হলো।”

সনদপত্রে স্বাক্ষর করেছেন সংস্থার সভাপতি বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া এবং মহাসচিব প্রফেসর মোহাম্মদ আবেদ আলী।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাবৃন্দসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে যারা মানবাধিকার রক্ষায় বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করেন এবং শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করেন, তাদের সম্মাননা জানিয়ে এই আজীবন সদস্যপদ প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন দক্ষিণ এশিয়ার সদস্য দেশগুলো— বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানে মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সংস্থাটি সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবকল্যাণ ও আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

আজীবন সদস্যপদ পাওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন,“এই স্বীকৃতি আমার জন্য এক বিশাল প্রেরণা। এটি আমাকে মানবাধিকার রক্ষা, সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের কল্যাণে আরও নিবেদিতভাবে কাজ করতে উৎসাহিত করবে । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *