এস এম সালমান হৃদয় বগুড়া

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি, বগুড়া জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল বগুড়া সদর উপজেলা শাখার সাবেক সফল সভাপতি মোঃ সরকার মুকুল আজ বগুড়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি উজ্জ্বল নাম। পাশাপাশি তিনি বগুড়া জেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সংগঠক হিসেবে তার দৃঢ় নেতৃত্ব, নিরলস পরিশ্রম এবং তৃণমূল কর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার দক্ষতায় তিনি শুধু বগুড়াতেই নয় সারা দেশে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর কাছে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছেন। রাজপথের আন্দোলন সংগ্রাম থেকে শুরু করে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করা প্রতিটি ক্ষেত্রে তার বলিষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে। বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলকে তিনি এমনভাবে সুসংগঠিত করেছেন যে আজ এ সংগঠনটি সারাদেশে একটি মডেল সংগঠন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দলকে শক্তিশালী করতে তিনি সবসময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
মোঃ সরকার মুকুলের রাজনীতির মূল ভিত্তি হলো তৃণমূল। তিনি বিশ্বাস করেন দলকে শক্তিশালী করতে হলে নিচের স্তরের কর্মীদের সাথে নিবিড় যোগাযোগ এবং আস্থার সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। তাই তিনি সবসময় কর্মীদের সাথে রাজপথে থেকেছেন তাদের সমস্যায় পাশে দাঁড়িয়েছেন। নানা আন্দোলন সংগ্রামে তিনি বগুড়ার রাজপথে ছিলেন প্রথম সারিতে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিতে ভয় ভীতি মামলা হামলা গ্রেপ্তারের যে কালো অধ্যায় চলছে তারও শিকার হয়েছেন তিনি। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের নানা ষড়যন্ত্রের কারণে তাকে একাধিকবার জেল জুলুম মিথ্যা মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু তিনি নীতি ও আদর্শ থেকে এক ইঞ্চি পিছপা হননি। দলের প্রতি তার অঙ্গীকার আজও অবিচল।
তিনি মনে করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আদর্শই বিএনপির শক্তি। তাই এই মহান নেতাদের রাজনৈতিক দর্শন ও সংগ্রামকে তিনি বগুড়ার রাজপথে বাস্তবায়ন করে চলেছেন। তিনি বারবার বলেছেন যত জেল জুলুম আসুক যত ষড়যন্ত্র হোক আমি রাজনীতি থেকে পিছু হটবো না। জনগণের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আমি আজীবন রাজপথে থাকবো। তার সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন নতুন গতি পেয়েছে। বিশেষ করে বগুড়ায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি ও নেতৃত্ব কর্মীদের উজ্জীবিত করে তোলে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বগুড়ায় আয়োজন করা কর্মসূচি মোঃ সরকার মুকুলের নেতৃত্বে আরও প্রাণবন্ত ও রঙিন হয়ে উঠেছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে আয়োজিত র্যালি আলোচনা সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে তিনি ছিলেন অন্যতম প্রধান সংগঠক। তার সাহসী বক্তব্য ও প্রাণবন্ত নেতৃত্ব কর্মীদের উজ্জীবিত করেছে যা পুরো বগুড়ার রাজনীতিতে নতুন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এ সময় তিনি বলেন বিএনপি কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয় এটি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। শহীদ জিয়ার আদর্শ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ আর তারেক রহমানের সাহসী নেতৃত্বের মাধ্যমেই আমরা বাংলাদেশকে পুনরায় গণতন্ত্রের পথে ফিরিয়ে আনবো। স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে এই আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকতে হবে।
মোঃ সরকার মুকুল কেবল রাজপথের নেতা নন তিনি একজন দূরদর্শী সংগঠকও। স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে তিনি নতুনভাবে সাজিয়েছেন। প্রত্যেকটি ইউনিটে তিনি দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি করেছেন এবং কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বাড়িয়েছেন। তার নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক দল আজ বগুড়ায় একটি শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে তিনি সবসময় পাশে দাঁড়ান। করোনাকালীন সময়ে অসহায় মানুষের পাশে খাদ্যসামগ্রী নিয়ে ছুটে গেছেন বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগেও তার মানবিক ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
বগুড়ার রাজনীতিতে মোঃ সরকার মুকুল এখন এক অনন্য নাম। তিনি সাহস সততা ত্যাগ ও নেতৃত্বের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তার নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক দল শুধু বগুড়াতেই নয় সারাদেশেই একটি মডেল সংগঠন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন বিএনপির আগামী দিনের আন্দোলন সংগ্রামে স্বেচ্ছাসেবক দল হবে অগ্রভাগের বাহিনী। তাই তিনি সর্বদা কর্মীদের সাথে নিয়ে রাজপথে আছেন এবং থাকবেন। বলা যায় তার নেতৃত্ব বগুড়ার রাজনীতিকে দিয়েছে নতুন গতি নতুন আশা।
দৈনিক নব জাগরণ/Daily Nobo Jagoron
Email : newsnobojagoron@gmail.com
Nobo Jagoron