
১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের চূড়ান্ত ফলাফলে গুরুতর অনিয়ম ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্বিবেচনার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্রার্থী সোনিয়া আক্তার। তিনি বলেন, “লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আমরা ভাইভায় আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে অংশ নিই এবং যথাযথভাবে উত্তর প্রদান করি। তারপরও আমাদের অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে, যা আমাদের প্রত্যাশার সম্পূর্ণ বিপরীত।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী ভাইভায় পাসের জন্য প্রয়োজনীয় সর্বনিম্ন নম্বর পাওয়ার পরও অনেক মেধাবী প্রার্থীকে অকৃতকার্য দেখানো হয়েছে। ২০ নম্বরের ভাইভায় ১২ নম্বর একাডেমিক ফলাফলের জন্য বরাদ্দ থাকায় মাত্র ৩.২ নম্বর পেলেই ভাইভা উত্তীর্ণ হওয়ার কথা। কিন্তু সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার পরও বহু প্রার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন, যা ভাইভা বোর্ডের ‘মনগড়া সিদ্ধান্ত’ বলে আমরা মনে করি।”
চাকরিপ্রত্যাশীরা অভিযোগ করেন, এক লাখ ১০ হাজারের বেশি শূন্যপদের বিপরীতে মাত্র ৬০ হাজার প্রার্থীকে পাস দেখানো হয়েছে। এতে প্রশ্ন উঠছে ফলপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে। এ অবস্থায় ফলাফলে কোনো ধরনের অসংগতি বা অবিচার হয়েছে কি না, তা নির্ধারণে তারা অবিলম্বে ফল পুনঃনিরীক্ষা ও পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
চাকরিপ্রত্যাশীদের পক্ষে দাবি জানানো হয়, সব পরীক্ষার্থীর ভাইভার নম্বর প্রকাশ করে ফলপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে এবং বঞ্চিতদের যুক্তিসঙ্গত অভিযোগ যাচাই করে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।