এস এম সালমান হৃদয়, বগুড়া

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে এগিয়ে এসেছেন অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলাম। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও শিক্ষাজীবনে সক্রিয় রফিকুল ইসলাম কাহালু উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং সাবেক সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, তিনি কাহালু উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক হিসেবেও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বর্তমানে কৈচড় টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ, বগুড়া সদর এর অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষাক্ষেত্রে তার দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান (কারিগরি) হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছেন। তার নেতৃত্বে কলেজটি শিক্ষার মানোন্নয়ন, আধুনিক কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
রাজনীতির পাশাপাশি অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ কারিগরি কলেজ শিক্ষক কর্মচারী ঐক্য ফেডারেশন, বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি এবং ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তার সংগঠনমূলক দক্ষতা শিক্ষাক্ষেত্রে তার নেতৃত্বের সঙ্গে মিলিত হয়ে তাকে স্থানীয় রাজনৈতিক ও শিক্ষামঞ্চে একজন শক্তিশালী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
প্রার্থী অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, “আমার লক্ষ্য কাহালু ও নন্দীগ্রামের জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। শিক্ষাক্ষেত্রে এবং রাজনীতিতে আমি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিটি মানুষ উন্নয়নের সুযোগ পাবে এবং স্থানীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।”
স্থানীয়রা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ ও সংলাপে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করেন, রফিকুল ইসলামের শিক্ষা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তাকে একজন যোগ্য ও শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। বিশেষ করে যুব ও শিক্ষার্থী সমাজ তার নেতৃত্বে আত্মবিশ্বাসী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বগুড়া-৪ আসনে প্রার্থী নির্বাচন অনেকটাই জনগণের আশা ও নেতার ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করবে। রফিকুল ইসলামের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, শিক্ষামূলক ও সংগঠনমূলক কার্যক্রম তাকে অন্যান্য প্রার্থীর তুলনায় এগিয়ে রাখছে। স্থানীয় মানুষ এবং দলীয় নেতা-কর্মীরা ইতিমধ্যেই তাকে সমর্থন জানানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
অধ্যক্ষ মোঃ রফিকুল ইসলানের নেতৃত্বে নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি এবং শিক্ষার উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।