গফরগাঁও উপজেলা পাগলা থানা টাংগাব ইউনিয়নে প্রতিবন্ধী ফরিদের জমি বেদখলের অভিযোগ উঠেছে।

print news
img

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা টাংগাব ইউনিয়নের বাশিয়া গ্রামে প্রতিবন্ধী ফরিদের জমি বেদখলের অভিযোগ উঠেছে।

মৃত মঈন উদ্দিন মৃত্যুকালে এক ছেলে মো. ফরিদ ও পাঁচ মেয়ে—বনানী পারভীন, জেসমিন আক্তার, নাছরীন আক্তার, তাহিরা আক্তার লিনা ও খাতুনে জান্নাত—রেখে যান। পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে এ ছয়জনই সমান অংশীদার। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, ফরিদকে না জানিয়ে তার পাঁচ বোন ১৯৭ দাগের ৩৭ শতাংশ জমি নজরুল ইসলামের দুই ছেলের কাছে বিক্রি করে দেন।

ফরিদ বিষয়টি জানতে পেরে বাধা দেন। এতে রিমা খাতুন বাদী হয়ে আদালতে ১৪৪ ধারা মামলা দায়ের করেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রিমা খাতুন ঐ জমিতে চাষাবাদ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ঐ জমিতে মাশকলাই, হলুদ ও সিমের চাষ করেছেন। পরে ফরিদ পুনরায় বাধা দিলে রিমা খাতুন ০৭ ধারা মামলা দায়ের করেন, যেখানে ফরিদের স্ত্রী মিনারা খাতুন ও মেয়ে নওবাকে আসামি করা হয়।

ফরিদ জানান, “আমি প্রতিবন্ধী এবং আমার কোনো ছেলে সন্তান নেই, দুটি মেয়ে রয়েছে। পেশিশক্তির জোরে হাইয়ুম ও কাইয়ুম আমার প্রায় ১৫ শতাংশ জমি দখল করে রেখেছে, কুদ্দুস মিয়ার কাছেও কিছু জমি দখলে আছে। এসব জমিতে আমার মেয়েরা গেলে তাদের মারধরের হুমকি দেওয়া হয়। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চাই।”

অন্যদিকে রিমা খাতুন বলেন, “আমরা ফরিদের পাঁচ বোনের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছি। যদি আইনগতভাবে ফরিদ ওই জমির অংশীদার হন, আমরা জমি ফেরত দিতে প্রস্তুত।”

প্রতিবন্ধী ফরিদ প্রশাসনের কাছে তার জমি ফেরত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *