এস. এম. সালমান হৃদয়, বগুড়া:

দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত নওগাঁ–৬ (রানীনগর–আত্রাই) আসনে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে নেমেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী, বগুড়া জেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক কে. এম. খায়রুল বাশার। তিনি বগুড়া জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্র সংসদের (আকুস) সাবেক ভিপি হিসেবে সুপরিচিত একজন ত্যাগী ও জনমুখী নেতা।
ছাত্রজীবন থেকেই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতির অঙ্গনে প্রবেশ করেন কে. এম. খায়রুল বাশার। তিনি ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে শুরু করে ধাপে ধাপে নেতৃত্বের আসনে পৌঁছান। আজিজুল হক কলেজে অধ্যয়নকালে তার তৃণমূলভিত্তিক নেতৃত্ব, সততা ও সাহসিকতার কারণে তিনি সহপাঠীদের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন এবং পরবর্তীতে ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।
এরপর যুবদল ও বিএনপি’র জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনকালে তিনি দলীয় সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং নেতাকর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা তাকে জেলা ও তৃণমূল বিএনপির মধ্যে একজন জনপ্রিয় নেতৃত্বে পরিণত করেছে।
কে. এম. খায়রুল বাশার বলেন,
“আমার রাজনীতি ক্ষমতা অর্জনের জন্য নয়, জনগণের কল্যাণের জন্য। অবহেলিত নওগাঁ–৬ আসনের মানুষ বহু বছর ধরে উন্নয়ন বঞ্চিত। আমি চাই এই এলাকার মানুষ যেন আধুনিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। জনগণই আমার শক্তি, তাদের ভালোবাসাই আমার প্রেরণা।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তিনি একজন পরীক্ষিত সংগঠক, যিনি সংকটে দলের পাশে ছিলেন এবং আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। তার নেতৃত্বে বিএনপি বগুড়া জেলায় নতুন উদ্যমে সংগঠিত হয়েছে এবং তৃণমূলের কর্মীরা পুনরায় আশাবাদী হয়ে উঠেছেন।
সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তার ভূমিকা প্রশংসিত। এলাকায় দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহায়তা করা এবং বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা—এসব কাজের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে নিজ উদ্যোগে খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা দিয়ে তিনি মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
কে. এম. খায়রুল বাশার বিশ্বাস করেন, রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণই পরিবর্তনের চাবিকাঠি। তিনি বলেন,
“আমি চাই তরুণ সমাজ রাজনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখুক। কারণ তারাই আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে, তারাই গড়বে নতুন বাংলাদেশ।”
বর্তমানে তিনি নওগাঁ–৬ আসনের আত্রাই ও রানীনগরের বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ, পথসভা ও মতবিনিময় কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। প্রতিটি সভায় মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই প্রমাণ করে—জনগণ তার পাশে রয়েছে। তৃণমূল বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এখন একযোগে কাজ করছেন তার নেতৃত্বে।
স্থানীয় নেতারা বলছেন, কে. এম. খায়রুল বাশার শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি একজন আদর্শবান নেতা, যিনি মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন। দলীয় মহলেও ধারণা করা হচ্ছে, এমন একজন কর্মঠ, ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতার হাতেই নওগাঁ–৬ আসনে বিএনপি’র নতুন জাগরণ শুরু হতে পারে।