বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণায় মাদারীপুরে বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ

print news

অপি মুন্সী : শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

WhatsApp Image 2025 11 07 at 14.20.12 8c7634dc

বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পর মাদারীপুর-৩ আসনে ভোটারদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছে। বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী আমেজ। ইতোমধ্যে মোটরসাইকেল শোডাউন, সভা-সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি শুরু করেছেন নেতাকর্মীরা।

মনোনীত প্রার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন এখন পাড়া-মহল্লায় ছুটে বেড়াচ্ছেন ভোটারদের মাঝে। তিনি দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

মনোনয়ন ঘোষণার পর গফরগাঁওয়ে ফুলেল মালা দিয়ে প্রার্থীকে বরণ করে নেন দলীয় নেতাকর্মীরা। কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন বলেন,

“গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা অন্যায়ের শিকার হলেও আমরা প্রতিশোধের রাজনীতি করব না। দেশের প্রতিটি মানুষ যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।”

মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা, সর্বত্র চলছে নির্বাচনী আলোচনা। ভোটারদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে প্রাণচাঞ্চল্য ও আগ্রহ।

মাদারীপুর-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাহারে কর্মীদের ক্ষোভ

এদিকে, বিএনপি থেকে মাদারীপুর-১ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করা হলেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সোমবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে মাদারীপুর-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে জামান কামাল নুরুউদ্দিন মোল্লার নাম ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

কিন্তু বাদ পড়েন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী লাভলু। এর প্রতিবাদে লাভলুর কর্মী-সমর্থকরা ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের পাঁচ্চরে সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন।

পরদিন (মঙ্গলবার) বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে নুরুউদ্দিন মোল্লার মনোনয়ন স্থগিত করা হয়।

বুধবার দিনব্যাপী শিবচরে সেই স্থগিতাদেশের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন মোল্লার নেতাকর্মীরা। কয়েক হাজার নারী-পুরুষ এতে অংশ নেন। বক্তারা নুরুউদ্দিন মোল্লার মনোনয়ন পুনর্বহালের দাবি জানান এবং তা বাস্তবায়ন না হলে এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধসহ বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

মাদারীপুর-২ আসনে চলছে টিকিট নিয়ে জল্পনা

অন্যদিকে, মাদারীপুর-২ আসনে এখনো বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করেনি। ধানের শীষের টিকিট কে পাচ্ছেন—এ নিয়ে চলছে ব্যাপক জল্পনা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, আলোচনায় রয়েছেন—

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক এমপি হেলেন জেরিন খান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জাফর আলী মিয়া, সদস্য সচিব জাহান্দার আলী জাহান, জেলা বিএনপির সদস্য মিল্টন বৈদ্য, সাবেক ছাত্রদল নেতা ব্যারিস্টার শহীদুল ইসলাম খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ও সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *