কামরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টারঃ

বোয়ালমারী বিএনপির দুই গ্রুপে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলেছে।
ফরিদপুরের বোয়ালমারি উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, অগ্নি সংযোগ, অফিস ভাংচুর এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মত ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলার ওয়াপদা মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিপ্লব ও সংহতি দিবসের কর্মসূচি নিয়ে ওয়াপদা মোড় এলাকা থেকে ফরিদপুর-১ (আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালী) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী দুই প্রার্থী সামসুদ্দিন মিয়া ঝুনু ও খোন্দকার নাসিরুল ইসলামের সমর্থকরা শোভাযাত্রা বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় । শুরু হয় চরম উত্তেজনা। একপক্ষ অপর পক্ষকে ধাওয়া দিলে চলে পাল্টা ধাওয়া। দুই পক্ষের পাল্টা-পাল্টি আক্রমনে উভয় পক্ষের কয়েক জন আহত হয়। সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মিনাজুর রহমান লিপন, লিয়াকত মোল্লা, রফিকুল ইসলাম, টিটু, জব্বার, ইমদাদুল হক, লাভলুসহ অন্তত ২৩ জন আহত হন। আহত ৩ জনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের বোয়ালমারী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরবর্তীতে ৩জনকে ফরিদপুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ সময় বেশ কয়েকটি মোটর সাইকেলে আগুন দেয়া হয়। ভাঙচুর করা হয় দোকানপাট, বিএনপির অফিসসহ কয়েকটি স্থাপনা। সংবাদ পেয়ে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিস আগুন নেভাতে গেলে তাদের বাঁধা দেয়া হয়। বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ীতে হামলা চালায়।
এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনও দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তজনা চলছে। যে কোন সময় ঘটতে পারে মারাত্মক কোন দুর্ঘটনা।
এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় সাতৈর বাজারে খোন্দকার নাসিরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ গ্রহণ করে।