এস এম সালমান হৃদয়, বগুড়া

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, তারুণ্যের অহংকার দেশনায়ক তারেক রহমান দীর্ঘ নির্বাসন জীবনের পর আগামী ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ বাংলাদেশের মাটিতে ফিরছেন—এ ঘোষণা ঘিরে সারা দেশে শুরু হয়েছে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের ঢেউ। তাঁর প্রত্যাবর্তনকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন সম্ভাবনা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের গতি ফেরার দিন হিসেবে দেখছে দলীয় নেতাকর্মীরা।গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তারেক রহমানের নেতৃত্ব শুধু দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে। তাঁর দূরদর্শী দিকনির্দেশনা ও সাহসী রাজনৈতিক অবস্থান বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে নতুনভাবে চিনিয়েছে বলে মত বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষকের।তারেক রহমানের এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী প্রযুক্তি দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য শহিদুল ইসলাম রতন এক বিবৃতিতে গভীর কৃতজ্ঞতা ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন,“দেশনায়ক তারেক রহমানের বাংলাদেশে ফেরা গণতন্ত্রের বিজয়ের প্রতীক। দেশ ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা অপরিসীম। তাঁর প্রত্যাবর্তন বিএনপির সকল আন্দোলনকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করবে।”তিনি আরও বলেন, জনগণের প্রত্যাশার প্রতীক তারেক রহমান দেশে ফিরলে নতুন করে গণতান্ত্রিক লক্ষ্যে অগ্রযাত্রা শুরু হবে। জাতির মুক্তির পথ সুগম হবে এবং মানুষের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন নতুন শক্তি পাবে।স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠন দেশব্যাপী প্রস্তুতি নিচ্ছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে এবং সবাই অপেক্ষা করছে গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ের সূচনার দিনে দেশনায়কের ঐতিহাসিক আগমনের।