হানিফ খান স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। তাদের রক্তের ঋণ শোধ করার একমাত্র পথ হলো একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
নিরাপদ ও বৈষম্যহীন ভূখণ্ড
তারেক রহমান একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের স্বপ্ন তুলে ধরে বলেন, “আমরা এমন এক নিরাপদ বাংলাদেশ চাই, যেখানে নারী-পুরুষ বা শিশু নির্বিশেষে সবাই নির্ভয়ে চলাচল করতে পারবে। পাহাড়ি কি সমতল—ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই দেশ আমাদের সবার।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান—সকল সম্প্রদায়ের সহাবস্থানই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি।
গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক মুক্তি
বক্তব্যে তিনি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থান ছিল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই। এখন সময় এসেছে মানুষের হারিয়ে যাওয়া কথা বলার অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধার করার। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই দেশকে গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।
তারুণ্যের শক্তিতে আগামীর স্বপ্ন
আগস্ট আন্দোলনে তরুণদের বীরত্বের প্রশংসা করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, এই তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের দেশ গড়ার প্রধান চালিকাশক্তি। তিনি সবাইকে উসকানিমূলক পথ পরিহার করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে দেশের স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি তিনবার পুনরুক্তি করেন, “আমরা দেশে শান্তি চাই।” তিনি দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার অনুরোধ জানান।