সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই।

print news

FB IMG 1767060927782

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।খালেদা জিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং তাঁর সাবেক প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান।

এর আগে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ২টায় চিকিৎসক ডা. এ জেড জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘বেগম জিয়া অত্যন্ত সংকটময় অবস্থায় আছেন’ এবং সকলের কাছে তার সুচিকিৎসা ও সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন।খালেদা জিয়াকে ৩ নভেম্বর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। ২৭ নভেম্বর তার ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিলে তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে সরানো হয়।৮০ বছর বয়সি খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন।

তাঁর চিকিৎসাজটিলতার মধ্যে ছিল লিভার ও কিডনি সংক্রান্ত জটিলতা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, শোষ্ঠিব্যথা (আথ্রাইটিস) এবং ইনফেকশনজনিত সমস্যা

সংক্ষিপ্ত জীবনীবেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ইস্কান্দার মজুমদার ছিলেন ফেনীর পরশুরামের শ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মা তৈয়বা বেগম পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার চন্দনবাড়ীর। পরিবারে তিন মেয়ে ও দুই ছেলে—তাদের মধ্যে তিনি তৃতীয় সন্তান।জন্মের পর তার নাম রাখা হয়েছিল খালেদা খানম।

শৈশবে তার সৌন্দর্য ও কোমল অভ্যাস দেখে ঘরবন্ধুরা তাকে ‘পুতুল’ বলে ডাকতেন। প্রাথমিক শিক্ষা তিনি গ্রহণ করেন সেন্ট যোসেফ কনভেন্টে এবং পরে দিনাজপুর সরকারি স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং দিনাজপুর সুরেন্দ্রনাথ কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট (উচ্চমাধ্যমিক) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।শৈশব থেকেই খালেদা জিয়ার অন্তরীন শান্তি ছিল পরিচ্ছন্নতা ও পরিপাটি থাকা; তিনি ফুলের প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন। জীবনের প্রতিটি ধাপে এই অভ্যাস বজায় রেখেছিলেন। তাঁর নিঃস্বার্থ নেতৃত্ব, রাজনৈতিক দমনায় বিশেষ করে গণতন্ত্র ও সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় ভূমিকার জন্য তিনি সর্বজন শ্রদ্ধেয় ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *