কামরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার

গত বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে MNRS Trust Scholarship–2025 এ এবারও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে “Equator Academy”। প্রতিষ্ঠানটি থেকে এ বছর মোট ৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছে—এর মধ্যে ১ জন ট্যালেন্ট পুলে এবং ৪ জন নিয়মিত ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে।
উত্তরা সেক্টর–১৩ শাখার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ট্যালেন্ট পুলে নির্বাচিত হয়েছে সাফওয়ান বিল্লাহ সাইব (শ্রেণি–৫)। পাশাপাশি নিয়মিত বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছে মুনিফ সারার, রেহান আহমেদ, তাহির রাজিন এবং লায়িবাহ জাফরিন। এই সাফল্যে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল “Equator Academy”-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।শিক্ষাবিদদের মতে, এই অর্জন “Equator Academy”-এর পরিকল্পিত, বিজ্ঞানভিত্তিক ও যুগোপযোগী গণিত শিক্ষার বাস্তব প্রতিফলন।
শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত একাডেমিক তত্ত্বাবধান, ধারাবাহিক গাণিতিক অনুশীলন এবং দক্ষ শিক্ষক প্যানেলের নিরলস প্রচেষ্টা।প্রতিষ্ঠানটিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান পরিচালিত হয়। ডিজিটাল পদ্ধতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিক সব শিক্ষা উপকরণ এবং ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নিরাপদ পরিবেশ শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুকূল শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করে। দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা অভিজ্ঞ শিক্ষকরা এখানে নিয়মিত পাঠদান করে থাকেন।দীর্ঘদিন ধরে “Equator Academy” শিক্ষার্থীদের গণিতভীতি দূর করে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
সহজ ও সাবলীল পদ্ধতিতে গণিত শেখানো, যুক্তিভিত্তিক চিন্তাধারা তৈরি এবং বাস্তব উদাহরণভিত্তিক সমাধান শিক্ষার্থীদের মধ্যে গণিতের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে সহায়ক হচ্ছে। একাডেমির ম্যাথ কার্নিভাল, বিজ্ঞানভিত্তিক গাণিতিক চর্চা ও সৃজনশীল সমস্যা সমাধানমূলক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের শেখার অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করছে।“Equator Academy”-এর পরিচালক ও দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইমতিয়াজ হোসেন MNRS Trust Scholarship–2025 এ কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আধুনিক ও ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য। প্রযুক্তিনির্ভর ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাই ভবিষ্যতের পথ দেখাবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, “Equator Academy”-এর এই ধারাবাহিক সাফল্য কেবল কয়েকজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং একটি কার্যকর ও আধুনিক গণিত শিক্ষার সফল মডেল। ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানটি আরও বেশি শিক্ষার্থীকে গণিতে দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও সৃজনশীল করে গড়ে তুলবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।